ডি.নেট এর পল্লীতথ্য বিকাশ কর্মসূচির অধীনে গত ৬ই এপ্রিল এবং ৭ মে ২০০৯ দুটি জ্ঞান বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট এবং ডি.নেট পল্লীতথ্য দল কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ডি.নেটের সৃষ্টি এবং অভিজ্ঞতা বিশেষ করে কৃষি ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পল্লীতথ্য কেন্দ্র থেকে কিভাবে গ্রামীণ জনগণ কৃষি তথ্য সংগ্রহ করছে এ বিষয়ে জানানো এবং কিভাবে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা সকল উদ্যোগ বা পক্রিয়ার অংশ হতে পারে এটাই ছিলো কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক আয়োজিত এক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় পল্লীতথ্য দল ডি.নেটের কার্যক্রম, পল্লীতথ্য মডেল, জীয়ন (ডিজিটাল কৃষি তথ্যভান্ডার), উন্নয়ন পক্রিয়া, কৃষি তথ্য গ্রামীণ জনগণের মাঝে পৌছে দেয়ার বহুবিধ মাধ্যম, হেল্পলাইনের মাধ্যমে কৃষি তথ্য প্রদানের পক্রিয়া উপস্থাপন ও প্রদর্শন করে। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে কাজের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করে। শেষে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আলোচনা হয়। ফলপ্রসূ আলোচনার পর অংশগ্রহণকারীগণ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, প্রকল্প এবং জ্ঞান ব্যস্থাপনায় তাদের অভিজ্ঞতা এবং কারিগরী অভিজ্ঞতা বিনিময় অব্যাহত রাখতে একমত পোষণ করেন।
কৃষি সমপ্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্র্তা এবং পল্লীতথ্য কেন্দ্রের তথ্যকর্মীদের মাঝে সংযোগ তৈরীর প্রতি জোর দেন। কর্মকমর্তাবৃন্দ যেসব স্থানে অনেক বেশী অবদান রাখতে সক্ষম নতুন পল্লীতথ্য কেন্দ্র স্থাপনের জন্য তারা সেই এলাকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেন। কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের কর্মএলাকায় পল্লীতথ্য কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত কৃষি ক্যাম্পে নিয়মিত বিশেষজ্ঞ হিসেবে গ্রামীণ জনগণের কৃষি সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তারা আরো বলেন, কৃষকদের সমস্যা সমাধানে তথ্যকর্মীবৃন্দ তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।