|
| News Details |
|
News Posting Date: Tuesday 28th of April 2009 |
|
পল্লীতথ্য কেন্দ্র এ অঞ্চলের কৃষকের জীবনকে বদলে দিতে পারে |
"পল্লীতথ্য কেন্দ্র এ অঞ্চলের কৃষকের জীবনকে বদলে দিতে পারে ৷ এর ফলে পাল্টে যাবে এই ইউনিয়নের চেহারা৷ শুধু কৃষি নয়,ফতেপুর ইউনিয়নের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ তাদের চাহিদা অনুযায়ী সেবা নিতে পারবে এই পল্লীতথ্য কেন্দ্র থেকে ৷" গত ২২ এপ্রিল'০৯ ঝিনেদা'য় আরডিসি পল্লীতথ্য কেন্দ্র আয়োজিত কৃষি ক্যাম্পে প্রধান অথিতির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম অজিয়র রহমান একথা বলেন ৷
প্রধান অথিতি আরো বলেন, "স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি আর বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, যার অর্ধেকের বেশি নারী ৷ আর এই নারীরাই সর্বপ্রথম কৃষিকাজের সূচনা করেন ৷ কাজেই কৃষি ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা অনস্বীকার্য৷ বর্তমানে নারীরাও পারে পুরুষের পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রে নানা অবদান রাখতে৷ এক্ষেত্রে তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করতে পারে পল্লীতথ্য কেন্দ্র ৷"
আরডিসি'র নির্বাহী প্রধান জনাব আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষি ক্যাম্পে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জনাব গোলাম হায়দার নান্টু, চেয়ারম্যান,ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ; জনাব হুমায়ুন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা; জনাব ইসমাইল হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা; জনাব শাহিদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং হেলাল উদ্দিন, সেন্টার ম্যানেজার, আরডিসি পল্লীতথ্য কেন্দ্র৷
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম হায়দার নান্টু দারিদ্র বিমোচনে পল্লীতথ্য কেন্দ্রের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, ফতেপুর ইউনিয়নকে ডিজিটাল ইউনিয়নে পরিণত করবে আরডিসি পল্লীতথ্য কেন্দ্র ৷ তিনি এলাকাবাসীকে নিয়মিত তথ্য কেন্দ্রে আসার এবং সেবা নেওয়ার আহবান জানান ৷
সভাপতির বক্তব্যে আরডিসি'র নির্বাহী প্রধান জনাব আব্দুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, বাংলাদেশের কৃষকরা এখনও কৃষি ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে ৷ তিনি আরো বলেন,কৃষকসহ বাংলাদেশের আপামর সাধারন মানুষ যদি সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য পেত তাহলে তাদের আর দুর্ভোগের শিকার হতো না ৷ পল্লীতথ্য কেন্দ্র সেই চাহিদা পূরণেই কাজ করে চলেছে ৷ |
|
|
|
| |
| Back |
|
| |
|